যখন ফ্লুর সঙ্গে অন্য কোনো সংক্রমণ দেখা দেয় তখন তা জটিল আকার ধারণ করে
সামান্য ফ্লু হয়েছিল। বাড়িতে প্যারাসিটামল, পর্যাপ্ত তরল আর বিশ্রামই চিকিৎসা—বলেছিলেন চিকিৎসক। কিন্তু ফ্লু থেকেই নিউমোনিয়া, তারপর সেপসিস, পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ, আর সেখান থেকে আইসিইউ। ২৪ দিন পর শেষ পর্যন্ত মারাই গেলেন বয়স্ক ওই নারী। মর্মান্তিক গল্পটা বলতে বলতে তাঁর সন্তান মন খারাপ করে জানতে চাইলেন, ফ্লু কি আসলেই ‘সামান্য’ বিষয়?
নাকি এটি থেকে এমন বড় বিপদ যে কারও জীবনে নেমে আসতে পারে?যখন ফ্লুর সঙ্গে অন্য কোনো সংক্রমণ দেখা দেয় তখন তা জটিল আকার ধারণ করেফ্লু কী, কেন হয়মৌসুম পরিবর্তনের সময়ে, বিশেষ করে শীতের শুরু বা শেষে হুট করেই যে কারও গা ম্যাজম্যাজ করে জ্বর চলে আসতে পারে। সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, হাঁচি, কাশি, গলাব্যথা, মাথাব্যথা ইত্যাদি। প্রায় সব পরিবারেই এটা একটা পরিচিত অসুখ হয়ে উঠেছে। এই মৌসুমি ফ্লুর আক্রমণে রীতিমতো অভ্যস্ত হয়ে গেছি আমরা।
আর অনেকেই জানেন এর পেছনে যে ভাইরাসটি থাকে, তার নাম হচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস।কথায় বলে চিকিৎসা করলে ফ্লু সারে সাত দিনে, না করলে এক সপ্তাহে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।