২০১৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে প্রায় ২০ লাখ মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করেছেন। বিপরীতে নতুন কাজের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে প্রায় ৯ লাখ। নতুন কাজের প্রতি ১০টির ৭টিই তৈরি হয়েছে কৃষিতে। শিল্প খাতে বরং কর্মসংস্থান কমেছে।অথচ আগের এক দশকে দেশের অর্থনীতি বছরে গড়ে ৬ শতাংশ হারে বেড়েছে। এই প্রবৃদ্ধির সুফলও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমানভাবে ছড়ায়নি।
উৎপাদনশীলতায় শীর্ষ ১০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিক খাতের মোট বিক্রির ৭৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু কর্মসংস্থানে তাদের অংশ মাত্র ১৫ শতাংশ।অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় হওয়ার পথে বাধা হয়ে আছে জটিল সরকারি প্রক্রিয়া, অর্থায়নের অভাব, অসম প্রতিযোগিতা ও বিদ্যুৎ–সংকট। সরকারি নিয়মকানুন সামলাতেই প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপকদের গড়ে ১৩ শতাংশ সময় চলে যায়। আবার ৭১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎ–বিভ্রাটের মুখে পড়ে।
এতে তাদের বার্ষিক বিক্রির প্রায় ৯ শতাংশ ক্ষতি হয়।বিশ্বব্যাংকের ২০২৬ সালের বাংলাদেশ উন্নয়ন হালনাগাদ প্রতিবেদনের বিশেষ একটি অধ্যায়ে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।