advertisement
advertisement

বরফের নিচে মহাবিশ্বের রহস্যের খোঁজে


সময় নিউজ ২৪ | প্রতিবেদক: Md Munna প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
বরফের নিচে মহাবিশ্বের রহস্যের খোঁজে

২০০৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেন

advertisement

১৯৯৩ সালের ক্রিসমাস ইভ। খাবার টেবিলে ল্যাপটপ কোলে নিয়ে বসে আছেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন। তাঁর অপেক্ষা দক্ষিণ মেরু থেকে একটা খবরের জন্যে—অ্যান্টার্কটিকায় বরফের গভীরে লাইট সেন্সর বসানো প্রথম কেব্‌লটি ঠিকঠাক নামানো গেছে কি না। দক্ষিণ মেরুর বরফকে বিশাল একটা নিউট্রিনো ডিটেক্টর হিসেবে ব্যবহার করার যে আইডিয়া তিনি কয়েক বছর ধরে এগিয়ে নিচ্ছিলেন, সেটার প্রথম বাস্তব রূপ ছিল আমান্ডা (AMANDA) নামে একটি অবজারভেটরি।

সেই রাতের অপেক্ষাটাও ছিল আমান্ডার নির্মাণকাজ নিয়েই। এরপরের কয়েক বছরে এই এক্সপেরিমেন্টটাই দেখিয়ে দিয়েছে, অ্যান্টার্কটিকায় বরফের গভীরে সত্যি সত্যিই নিউট্রিনোর তৈরি ক্ষীণ আলোর সিগন্যাল ধরা সম্ভব। তবে আমান্ডার একটা সীমাবদ্ধতা ছিল—দূর মহাবিশ্ব থেকে আসা অত্যন্ত উচ্চশক্তির নিউট্রিনো যথেষ্ট সংখ্যায় ধরার জন্য সেটি আকারে খুব ছোট। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই পরে তৈরি হয়েছে আরও অনেক বড় আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি।

আর তিন দশকের বেশি সময় পরে সেই আইসকিউবের কাজই হ্যালজেনকে এনে দিয়েছে ২০২৬ সালের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার।২০০৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হ্যালজেনফ্রান্সিস হ্যালজেনের জন্ম ১৯৪৪ সালে বেলজিয়ামের তিয়েনেনে।

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর