ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সদ্য নোবেলজয়ী কার্ল ডাইসারোথ ফোনে কথা বলছেন কোনো এক সাংবাদিকের সঙ্গে। চোখেমুখে হয়তো রাত জাগার ক্লান্তি, কিন্তু ঠোঁটের কোণে লেগে আছে এক অদ্ভুত প্রশান্তির হাসি। জীবনের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতিটা পাওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েই শুরু হলো তাঁর নতুন দিনের রুটিন।
স্টকহোম থেকে ফোনটা আসার পর পৃথিবীর যেকোনো মানুষেরই আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাওয়ার কথা। উদ্যাপন শুরু করাই হয়তো স্বাভাবিক দৃশ্য। কিন্তু স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক কার্ল ডাইসারোথ কী করলেন? তিনি সোজা রান্নাঘরে ঢুকে গেলেন ছেলেমেয়েদের স্কুলের টিফিনের স্যান্ডউইচ বানাতে!২০২৬ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন কার্ল ডাইসারোথ।
তাঁর জাদুকরি আবিষ্কার অপটোজেনেটিকসের মাধ্যমে জীবন্ত মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষগুলোকে আলো দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এমন এক যুগান্তকারী আবিষ্কারের পর একজন বিজ্ঞানীর জীবনের সবচেয়ে বড় দিনটা ঠিক কীভাবে শুরু হলো? চলুন, কয়েকটি ছবির দেখে তাঁর প্রথম দিনটার গল্প বোঝার চেষ্টা করি। ছবিগুলো তুলেছেন অ্যান্ড্রু ব্রডহেড।ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সদ্য নোবেলজয়ী কার্ল ডাইসারোথ ফোনে কথা বলছেন কোনো এক সাংবাদিকের সঙ্গে।
চোখেমুখে হয়তো রাত জাগার ক্লান্তি, কিন্তু ঠোঁটের কোণে লেগে আছে এক অদ্ভুত প্রশান্তির হাসি।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।