শাহেদ আহম্মেদ
‘রিয়াদে নেমেছি, জেদ্দায় পৌঁছে ফোন দেব।’– স্বামী শাহেদ আহম্মেদের সঙ্গে মুঠোফোনে এটাই ছিল কাকলি বেগমের শেষ কথা। এরপর থেকে ফোনের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। কিন্তু স্বামীর কণ্ঠ আর শুনতে পারেননি। গতকাল শনিবার বিকেলে ফোনে এল স্বামীর মৃত্যুর খবর।সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় শাহেদের নিহত হওয়ার খবর শোনার পর থেকে কান্না থামছে না কাকলির।
দুই ছেলেকে নিয়ে এখন তাঁর অপেক্ষা—কবে দেশে ফিরবে স্বামীর মরদেহ।নিহত শাহেদ আহম্মেদের (৩২) বাড়ি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। তাঁর বাবা রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে থাকেন। বাংলাদেশ সময় গতকাল শনিবার রাতে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের ইরান–সমর্থিত হুতি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামলা চালায়। এতে শাহেদসহ দুই বাংলাদেশী নিহত হন।
নিহত অন্যজন হলেন কুমিল্লার নাঙ্গোলকোট উপজেলার বাসিন্দা নাসরুল্লাহ বদরপুরি।শাহেদের মৃত্যুর খবর পৌঁছানোর পর থেকে তাঁর গ্রামের বাড়িতে মাতম চলছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।