এক যুগ আগের কথা। তখন সদ্য স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ হয়েছি; ইলেকট্রনের কথা, ইলেকট্রন-আয়ন মিথস্ক্রিয়ার কথা, পরমাণুর অভ্যন্তরের সদস্যদের পারস্পরিক বোঝাপড়া, তারা কোন কোন কোয়ার্ক দিয়ে গঠিত, তাদের মাঝে আবার কী সব টান টান করছে—এই সব হাবিজাবি মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। শুধু যে তত্ত্বকথা ভেবে চলেছি এমন নয়, মাঝে মাঝে মনে হতো, এই যে ইলেকট্রন নিয়ে এত কাণ্ডকারখানা, এদের দেখতে কী রকম?
কোয়ান্টাম তত্ত্বের শুরুর দিকে আমরা জেনেছি, ইলেকট্রন তরঙ্গও হতে পারে আবার কণাও হতে পারে। বাস্তবে যদি ইলেকট্রনকে আমরা দেখতে পেতাম, তাহলে কেমন একই অঙ্গে এই দুটি রূপ দেখা যেত? মানে হাবিজাবি সব প্রশ্ন আরকি! এখনকার মতো চ্যাটজিপিটি বা জেমিনির বাড়বাড়ন্ত সে সময় ছিল না। গুগল অবশ্য ছিল, কিন্তু সব সময় আমার আজগুবি প্রশ্নের উত্তর পেতাম না।
পরিচিত অধ্যাপকদের জিজ্ঞাসা করতে লজ্জা পেতাম, পাছে যদি কেউ প্রশ্নগুলো অবান্তর ভেবে বসেন!এক দিন এক জ্যোতির্পদার্থবিজ্ঞানীর সাক্ষাৎকার শুনছিলাম।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।