মধ্যাহ্নবিরতিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাতার বাঁশি বাজিয়ে শোনাচ্ছেন গোলাম রাব্বানী। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন স্কুলে
বিদ্যালয়ে তখন মধ্যাহ্নবিরতি চলছে। মাঠের একপাশে মেহগনিগাছের ছায়ায় গল্প-আড্ডায় মেতেছে শিক্ষার্থীরা। এমন সময় মাঠে ঢুকলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব এক ব্যক্তি। তাঁকে দেখে এগিয়ে এলেন প্রধান শিক্ষক। কয়েকজন শিক্ষার্থীও এগিয়ে এসে কুশল বিনিময়ের পর আবদার জুড়ে দিল, ‘রাব্বানী স্যার, একটা গান শোনান।’আবদার ফেলতে পারলেন না গোলাম রাব্বানী (৫৬)। মেহগনিগাছ থেকে ছিঁড়ে নিলেন দুটি পাতা। একটির এক প্রান্ত সামান্য ভাঁজ করে ঠোঁটে চেপে ধরলেন।
এরপর ফুঁ দিতেই ভেসে এল সুর, ‘আমরা করব জয়, আমরা করব জয় একদিন’। একে একে শোনালেন ‘অশ্রু দিয়ে লেখা এ গান’, ‘এই যে দুনিয়া কিসেরও লাগিয়া’, ‘দেখা না দিলে বন্ধু কথা কইয়ো না’।যেকোনো গাছের পাতা দিয়েই সুর বের করা সম্ভব। তবে আতা ও মেহগনিগাছের পাতায় তুলনামূলক ভালো সুর পাওয়া যায়।গত বৃহস্পতিবার দুপুরে দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলা শহরের আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন স্কুলে দেখা যায় এই দৃশ্য। কোনো বাঁশি নেই, নেই কোনো বাদ্যযন্ত্র।
গাছের পাতার বাঁশি বানিয়ে তাতে ফুঁ দিয়েই একের পর এক গানের সুর তোলেন গোলাম রাব্বানী।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।