আধুনিক করপোরেট ও প্রশাসনিক বিজ্ঞানে ‘মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা’ একটি অত্যন্ত চর্চিত বিষয়।
হাজার বছর আগ মহানবী (সা.) সভ্যতা বস্তুতাত্ত্বিক অবকাঠামো গড়ে তোলার চেয়ে মানবোন্নয়ন, চরিত্র গঠন এবং মানুষের আত্মিক ও মানসিক বিকাশকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন।কোরআনে মানুষের মর্যাদা সম্পর্কে বলা হয়েছে, “যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাকে সুবিন্যস্ত করেছেন এবং সুষম করেছেন।” (সুরা ইনফিতার, আয়াত: ৭–৮)আধুনিক ব্যবস্থাপনাবিজ্ঞানে মানবসম্পদ বলতে একটি প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য অর্জনের জন্য কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, মেধা অন্বেষণ, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করাকে বোঝায়।তবে নবীজির জীবন ও নীতিতে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার যে রূপরেখা পাওয়া যায়, তা শুধু যান্ত্রিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা ন্যায়বিচার, সহানুভূতি ও মানব মর্যাদার এক চিরন্তন ভিত্তি।
(মাসউদ সাবরি, ইদারাতুল মাওয়ারিদিল বাশারিয়্যা ফিস-সুন্নাতিন নাবাবিয়্যা: দিরাসাতুন তাসিলিয়্যা, ১/ ১৫–২৫, দারুল ফিকর, কায়রো, ২০২৪)১. ব্যক্তিবৈচিত্র্য পর্যবেক্ষণ করে দায়িত্ব বণ্টনমানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রাথমিক ও প্রধান শর্ত হলো প্রতিটি মানুষের কাজের প্রকৃতি, মানসিক গঠন ও দক্ষতার ভিন্নতাকে সঠিকভাবে অনুধাবন করা।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।