অলংকরণ: মাসুক হেলাল
প্রথম দৃশ্যঘটক নিত্যানন্দ যেদিন বললেন পাত্র বিলেতফেরত, সেদিনই সন্দেহ হলো; কারণ, ঘটকমশাই আজ পর্যন্ত একটাও সত্যি কথা বলেননি।গত বছর তিনি দিদির জন্য এক ডাক্তার পাত্র এনেছিলেন। শেষে দেখা গেল সে ডাক্তারখানার কম্পাউন্ডার, আর ডাক্তারি বিদ্যার দৌড় বড়জোর কুইনাইন আর পুরোনো ভাতের তফাত বোঝা পর্যন্ত। তার আগের বছর এনেছিলেন ‘জমিদারের একমাত্র ছেলে’। পরে জানা গেল জমিদার একজনই, কিন্তু ছেলে সাতজন।
আর তাঁদের মধ্যে ইনি সপ্তম, যাঁকে বাড়ির কুকুরটাও ঠিকমতো চেনে না।সালটা ১৯২৪। আমাদের কালীগঞ্জ গাঁয়ে তখন সবে ডাকঘর বসেছে, স্টিমার আসে সপ্তাহে তিন দিন, আর সাহেব বলতে লোকে চেনে শুধু ভাঙা নীলকুঠির গল্প। ঘটকমশাই সপ্তাহখানেক ধরে আমাদের অতিথিশালায় ডেরা বাঁধা, কলকাতার চিঠির অপেক্ষায়। তাঁর একটা নিয়ম আছে—পাত্র পাকা না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বাড়ির অন্ন মুখে তোলেন না। চা খান, জল খান, কিন্তু ভাত নয়।
খিদে পেলে পকেট থেকে মুড়ির ঠোঙা বের করেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।