হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু আক্রান্ত ফাতিহা। তিন বছরের শিশুটির শুশ্রূষায় ব্যস্ত পরিবারের সদস্যরা। গতকাল রাজধানীর মুগদা হাসপাতালে
নাজমুল পড়তেন নর্থ সাউথে, ইনতিসার পড়ত আদমজীতে। মা বললেন, ‘বেঁচে থাকার কোনো অবলম্বন রইল না।’মা-বাবার দুই সন্তান। নাম মো. নাজমুল হাসান ইফতি (২৪) ও মো. ইনতিসার হাসান ইয়াস (১৬)।নাজমুল পড়তেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগে। ইনতিসার পড়ত আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলে নবম শ্রেণিতে। ২১ দিনের ব্যবধানে ডেঙ্গুতে এই দুই সন্তানকে হারিয়েছেন মা-বাবা।বাবার নাম মো. বাবুল হক। মায়ের নাম নাজমিন আক্তার।
নাজমিন গতকাল বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছোট মশা আমার পরিবারের সব আনন্দ নিয়ে চলে গেল। এই পৃথিবীতে আমাদের বেঁচে থাকার আর কোনো অবলম্বন রইল না।’স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে গতকাল ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৩১ জন। বাবুল ও নাজমিনের মতো অনেক মা-বাবা তাঁদের সন্তান হারিয়েছেন। অনেক সন্তান তাদের মা-বাবাকে হারিয়েছে। বহু মানুষ স্বজন হারিয়েছেন।
বহু মানুষ ডেঙ্গু থেকে স্বজনকে বাঁচাতে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়েছেন।মশার বিস্তার এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে ডেঙ্গু এখন বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে বিস্তৃত একটি রোগে পরিণত হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।