advertisement
advertisement

লালনের গোষ্ঠগানে গোপাল প্রেম ও বিচ্ছেদ বন্দনা


সময় নিউজ ২৪ | প্রতিবেদক: Md Munna প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
লালনের গোষ্ঠগানে গোপাল প্রেম ও বিচ্ছেদ বন্দনা

জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৮৯ শিলাইদহে লালনের এই স্কেচটি এঁকেছিলেন

advertisement

রাধা-গোবিন্দ শব্দবন্ধের মতনই গোপাল-যশোদা শব্দবন্ধটিও কৃষ্ণ–ভক্তদের কাছে অতি প্রিয়, সুমধুর, মিষ্টি। রাধা-গোবিন্দর প্রেমের মাঝে জীবাত্মা আর পরমাত্মা একাকার হয়ে যায়। ভগবান এবং ভক্তের মাঝের সীমারেখা তখন লীন-বিলীন হয়ে পড়ে। ঈশ্বরের সঙ্গে ভক্তের সম্পর্ক কেমন হবে তার সর্বোচ্চ ধাপ এই প্রেমময় স্তরটি।

স্বয়ং ঈশ্বর মনুষ্যরূপ ধারণ করে ভক্তের চরণ স্পর্শ করতে চাইলে, ভক্ত বুঝতে পারে না এর তুল্য তপস্যা সে কি করেছে এই জনমে কিংবা আর জনমে? চণ্ডীদাসের পদে রাঁধার মনের এভাবে ধরা দেয়: ‘এ কথা কহিবে সই এ কথা কহিবে, অবলা এমন তপঃ করিয়াছে কবে? পুরুষ-পরশমণি নন্দের কুমার, কী ধন লাগিয়া ধরে চরণে আমার।’ — চণ্ডীদাসপঞ্চরসের হাঁড়ি ফুঁড়ে মোক্ষলাভবৈষ্ণব দর্শনে যে পাঁচটি রসের উল্লেখ আমরা পাই, সেটা ধাপে ধাপে ঈশ্বরকে পাবার রাস্তা বাতলে দেয়।

এই রাস্তার সর্বশেষ বা চূড়ান্ত গন্তব্য হলো এই প্রেমের স্তর, বড় মধুর বড় মায়াময় এ রূপ।

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর