ইসলামের ইতিহাসে শৈশবেই অলৌকিকভাবে কথা বলে সত্য প্রকাশ ও সাক্ষ্য দেওয়ার ঘটনা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। পবিত্র কোরআন ও হাদিসের বর্ণনায় এমন চার শিশুর কথা উল্লেখ রয়েছে, যারা কথা বলার বয়স হওয়ার আগেই আল্লাহর অসীম কুদরতে কথা বলে উঠেছিল।
এদের মধ্যে অন্যতম হলেন হজরত ঈসা (আ.), যিনি দোলনায় কথা বলে মা মারিয়ম (আ.)-এর পবিত্রতা প্রমাণ করেন এবং নিজের নবুয়তের ঘোষণা দেন। দ্বিতীয়জন হলেন নবী ইউসুফ (আ.)-এর ঘটনার সাক্ষী সেই শিশু, যার যুক্তিপূর্ণ সাক্ষ্যে জুলেখার অপবাদ মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এছাড়া বনি ইসরাইলের আবেদ জুরাইজের ওপর অপবাদ এলে এক নবজাতক শিশু কথা বলে জানিয়ে দেয় তার প্রকৃত বাবা একজন রাখাল, ফলে জুরাইজ নির্দোষ প্রমাণিত হন।
চতুর্থ ঘটনাটি ফেরাউনের কন্যার ইমানদার সেবিকার শিশুসন্তানের। অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপের মুহূর্তে দ্বিধাগ্রস্ত মাকে সেই দুধের শিশু কথা বলে ধৈর্য ধরার ও সত্যের ওপর অবিচল থাকার সাহস জুগিয়েছিল। এই ঘটনাগুলো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আল্লাহর কুদরতের প্রকাশ এবং সত্যের ওপর দৃঢ় থাকার শিক্ষা দেয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।