advertisement
advertisement

বিশ্বের খেলনার বিশাল বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা এখনো তলানিতে


সময় নিউজ ২৪ | প্রতিবেদক: Md Munna প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ
বিশ্বের খেলনার বিশাল বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা এখনো তলানিতে

advertisement

বিশ্বজুড়ে খেলনার ১২ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের বিশাল বাজারে বাংলাদেশের অংশ এখনো অত্যন্ত সীমিত। দ্য টয় অ্যাসোসিয়েশন ও ইউএন কমট্রেড ডেটাবেজের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে খেলনার বাজার দ্রুত বাড়লেও শীর্ষ রপ্তানিকারক চীন একাই ৩ হাজার ৪৮২ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। বিপরীতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৬ কোটি ২৯ লাখ ডলারের খেলনা রপ্তানি হয়েছে। রপ্তানি প্রবৃদ্ধি আগের বছরের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ হলেও বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশ এখনো বেশ পিছিয়ে রয়েছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জার্মানি সহ ৪১টি দেশে খেলনা রপ্তানি হয়, যার মধ্যে ইতালিতে সর্বোচ্চ ১ কোটি ৪৯ লাখ ডলারের পণ্য পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে কার্যকর রপ্তানিকারকদের মধ্যে শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত বিদেশি বিনিয়োগে পরিচালিত। এর মধ্যে নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডের সনিক (বাংলাদেশ) লিমিটেড একাই সর্বোচ্চ ৪ কোটি ২১ লাখ ডলারের খেলনা রপ্তানি করেছে। এছাড়া দেশীয় উদ্যোক্তাদের মধ্যে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ও আমান প্লাস্টিক টয় ইন্ডাস্ট্রিজ আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য সরবরাহ করছে।

খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা জানান, কাঁচামাল আমদানির জটিলতা, নীতিসহায়তার অভাব এবং ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে দেশীয় কারখানাগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। আমান প্লাস্টিক টয় ইন্ডাস্ট্রিজের স্বত্বাধিকারী আমান উল্লাহর মতে, কাঁচামালে বন্ড সুবিধা দেওয়া এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা জরুরি, কারণ লোডশেডিংয়ে ১ থেকে ১৫ শতাংশ পণ্য নষ্ট হয়। অন্যদিকে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল মনে করেন, নিত্যনতুন উদ্ভাবন ও পণ্যের মানোন্নয়নে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা থাকলে এই খাতে দ্রুত বড় সাফল্য অর্জন সম্ভব।

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর