advertisement
advertisement

ডেঙ্গু চিকিৎসায় আশার আলো দেখাচ্ছে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ‘মোসনোডেনভির’


সময় নিউজ ২৪ | প্রতিবেদক: Md Munna প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু চিকিৎসায় আশার আলো দেখাচ্ছে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ ‘মোসনোডেনভির’

advertisement

বাংলাদেশে প্রতিবছর ডেঙ্গুর প্রকোপ ও প্রাণহানি বাড়লেও এ রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো অনুমোদিত ওষুধ নেই। ডেঙ্গুর চারটি ভিন্ন সেরোটাইপের উপস্থিতির কারণে কার্যকর টিকা তৈরি করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জাপানি প্রতিষ্ঠান তাকেদার ‘কিউডেঙ্গা’ টিকাটি বিভিন্ন স্থানে ব্যবহৃত হলেও তা সব সেরোটাইপের জন্য সমান কার্যকর নয়। সম্প্রতি আইসিডিডিআরবির গবেষণায় ২০২৪ সালে ডিইএনভি-২ এবং আইইডিসিআরের গবেষণায় ২০২৬ সালে ডিইএনভি-৩ সেরোটাইপের আধিক্য দেখা গেছে। এমন পরিস্থিতিতে সব সেরোটাইপের বিরুদ্ধে কার্যকর প্যান-সেরোটাইপ ওষুধ ‘মোসনোডেনভির’ নতুন সম্ভাবনার পথ দেখাচ্ছে।

বেলজিয়ামের কেইউ লুভেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইয়োহান নেইটসের ল্যাবরেটরিতে উদ্ভাবিত এই ক্ষুদ্র অণুর ওষুধটির ফেজ-১ এবং ফেজ-২এ ট্রায়াল সম্পন্ন করেছিল জনসন অ্যান্ড জনসন। গবেষণায় ওষুধটির উল্লেখযোগ্য কোনো বিষাক্ততা পাওয়া যায়নি এবং এর কার্যকারিতা ছিল অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। তবে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কম থাকায় পরবর্তী ধাপের ব্যয়বহুল ট্রায়াল বন্ধ রাখে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি বিখ্যাত জার্নালে প্রকাশিত তাদের বৈজ্ঞানিক নিবন্ধে ওষুধটির কার্যকারিতার ইতিবাচক প্রমাণ উঠে এসেছে।

বিশেষজ্ঞ ও প্রবাসী বিজ্ঞানীদের মতে, ডেঙ্গু সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ এই সম্ভাবনাময় ওষুধের ফেজ-২বি বা থেরাপিউটিক ট্রায়াল পরিচালনার উদ্যোগ নিতে পারে। আইসিডিডিআরবির মতো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই ট্রায়াল সফল হলে দেশের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিতে পারে। পরবর্তীতে স্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে লাইসেন্সিং ও বাজারজাতকরণের মাধ্যমে এটি রোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর