ঘরের বাতি অন-অফ করার জন্য দেয়ালে সুইচের কথা তো জানোই। এবার কল্পনা করো, আমাদের মাথার ভেতরের নিউরন বা স্নায়ুকোষগুলোকে যদি সেভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যেত, তাহলে কেমন হতো? মানে, একটি বিশেষ নীল আলো ফেললেই অমনি একটা নিউরন জেগে উঠল, আর অন্য আলো ফেলতেই সেটা চুপচাপ ঘুমিয়ে পড়ল! অনেকটা রিমোট কন্ট্রোলের বোতাম চেপে কোনো কিছু নিয়ন্ত্রণ করার মতো।ব্যাপারটা শুনতে সায়েন্স ফিকশন মুভির মতো লাগছে, তাই না?
কিন্তু এটা এখন আর কোনো কল্পবিজ্ঞান নয়, বরং আধুনিক বিজ্ঞানের অন্যতম রোমাঞ্চকর আবিষ্কার! জীববিজ্ঞানের এই জাদুবিদ্যার নামই হলো অপটোজেনেটিকস।এক অর্থে বলা যায়, মানুষের মস্তিষ্কে কোটি কোটি ছোট ছোট বৈদ্যুতিক বাতি আছে। প্রতিটি বাতিই আসলে একেকটি স্নায়ুকোষ। সেগুলো একে অন্যের সঙ্গে বিদ্যুৎ ও রাসায়নিক সংকেতের মাধ্যমে কথা বলে। কোনোটি সক্রিয় হলে আমরা নড়াচড়া করি, কোনোটি সক্রিয় হলে ভয় পাই।
আবার কোনোটি প্রিয় গান শুনে আনন্দ দেয়, কোনোটি পুরোনো কোনো স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।