আর দশজন যে উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসে, শিপনও সে উদ্দেশ্যেই এসেছে। কিন্তু এলেই কি আর হয়? মামা, খালু না থাকলে চাকরি হয়? এটা যেমন সে জেনেই এ শহরে এন্ট্রি নিয়েছে, তেমনি এটাও শুনে এসেছে, ঢাকা একটা আজব শহর। এ শহরে কার, কখন, কীভাবে কপাল খুলে যাবে, কেউ জানে না।কপাল খোলার জায়গায় জুতার তলি খুলে যাচ্ছে, কাজ হচ্ছে না। কপাল খোলা তো দূরের কথা, কোনো অফিসের গেটই খোলে না।হাঁটতে হাঁটতেই চোখে পড়ল ব্যাপারটা। কয়েকটা কার্ড পড়ে আছে ফুটপাতে।
ছোট স্কয়ার সাইজের হলুদ রঙের কার্ড। কার্ডগুলোর দিকে তাকিয়ে শিপনের ‘যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখো তাই’ সূত্রের কথা মনে হলো। কয়েকটা কার্ড কুড়িয়ে নিল চট করে।সাধারণত ভিজিটিং কার্ডে পুরো নাম, যে পোস্টে চাকরি করছে সেই পজিশন, শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকে। আরও থাকে প্রতিষ্ঠানের নাম, ধরন, ঠিকানা, লোগো। এই কার্ডে এর অনেক কিছুই নেই। কটকটা হলুদ রঙের কার্ডে বাংলায় লাল কালিতে লেখা ‘ইমন ভাই’। নামের নিচে বড় করে দেওয়া আছে মোবাইল নম্বর।
তার নিচে লেখা আবাসিক হোটেল।এখানে স্যালুট দেওয়ার কোনো দরকার নেইলংমার্চ যখন লং ড্রাইভছাগল–কাণ্ডকার্ড উল্টেপাল্টে ভালো করে দেখল।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।