দীর্ঘ তিন চার বছর প্রচণ্ড পরিশ্রমের পর শান্তির দেশ সুইডেনের আসল রূপ অনুভব করতে শুরু করেছে কাজল। একটি দেশের সুযোগ–সুবিধা ভোগ খরতে হলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সে দেশের স্থায়ী পারমিশন থাকতে হয়। কাজল এখন বিজনেস পারমিশনের মাধ্যমে সুইডেন এ স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি অর্জন করেছে। এরপর আরকটি ধাপ বাকি আছে, তা হলো নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা। স্থায়ী পারমিশন পাওয়ার এক বছর পর কাজলের দ্বিতীয় সন্তান মোহাবের জন্ম হয় সুইডেনে।
মোহাবের জন্মের তিন মাস আগে কাজল তার শাশুড়িকে সুইডেনে নিয়ে আসার জন্য আবেদন করে, এবং সহজেই ভিসা মিলে যায়। এ দেশে বাবা, মাকে সহজেই ভিজিট ভিসায় নিয়ে আসা যায়, হতে পারে তিন মাস বা ছয় মাস, পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন হলে ওই ভিসা রিনিউ করা যায়। বাচ্চা মায়ের পেটে আসার পর থেকে এখানে একজন মিড ওয়াইফের মাধ্যমে মাকে নিয়মিত চেকাপের মধ্যে রাখা হয়। মিড ওয়াইফ হচ্ছেন বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন নার্সের মতো।
বাচ্চা জন্মের আগপর্যন্ত মিড ওয়াইফ প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র, খাবারের রুটিন, নির্দিষ্ট সময় পর পর মা এবং বাচ্চার ওজন মাপাসহ অন্যান্য চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন।মোহাবের জন্মের একমাস আগে মোহাবের নানু সুইডেনে এসে পৌঁছায়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।