কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে নিজ বাড়ির সামনে পরিবারের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আলামিন হোসেন। সোমবার কুমারখালীর রাজাপুর গ্রামে
গ্রামের সরু পথ দিয়ে ভেতরে ঢুকলে চোখে পড়ে জরাজীর্ণ একটি টিনশেড ঘর। ঘরের ভেতর ভাঙা চেয়ার-টেবিলে বসে বইয়ের পাতা উল্টাচ্ছেন আলামিন হোসেন (২০)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের এই ছাত্রের এখন থাকার কথা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে। কিন্তু অর্থাভাবে এখন তাঁর ঠিকানা ভাঙা ঘর। ধারদেনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলেও টাকার অভাবে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তাঁর পড়াশোনা।
আলামিনের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে। বাবা আলেফ আলী পেশায় ভ্যানচালক। আলামিন ছাড়াও দ্বিতীয় স্ত্রী রোকসানা বেগম, বৃদ্ধ মা চন্দনা খাতুন এবং স্কুলপড়ুয়া দুই মেয়ে ও এক ছেলে আছে।আলামিন ২০২৩ সালে ডাঁসা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বাণিজ্য বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি এবং ২০২৫ সালে শৈলকুপার কাতলাগাড়ি ডিগ্রি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগ জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন।
এরপর একটি বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকার একটি কোচিং সেন্টারে বিনা মূল্যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির প্রস্তুতি নেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।