যে মানুষ চল্লিশ বছর বয়স পর্যন্ত কোনো শিক্ষায়তনের সান্নিধ্যে যাননি এবং যাঁর প্রাতিষ্ঠানিক অক্ষরজ্ঞানের কোনো প্রমাণ নেই, হঠাৎ করেই তাঁর মুখনিঃসৃত বাণী গোটা বিশ্বের সাহিত্য, আইন, দর্শন ও আধ্যাত্মিক ধারাকে আমূল বদলে দিল।আধুনিক পশ্চিমা প্রাচ্যবিদেরা এই অলৌকিকত্বকে ধামাচাপা দিতে এক চিরাচরিত অপবাদ দিয়ে এসেছে যে মুহাম্মদ (সা.) স্বশিক্ষিত কিংবা তিনি কোনো ইহুদি-খ্রিষ্টান পাদ্রির কাছ থেকে পূর্ববর্তী ধর্মগ্রন্থ শিখে নিয়ে কোরআন রচনা করেছেন।কিন্তু ঐতিহাসিক সাক্ষ্যপ্রমাণ, কোরআনের অতুলনীয় ভাষাশৈলী এবং এতে বর্ণিত নির্ভুল ভবিষ্যৎবাণীসমূহের নির্মোহ বিশ্লেষণ প্রমাণ করে যে কোরআনের রচয়িতা কোনো মানুষ হতে পারেন না; এর একক শিক্ষক হলেন বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহ-তাআলা।নিরক্ষর নবী ও মক্কার সামাজিক বাস্তবতাকোরআন যে মানুষের রচনা নয়, তার সবচেয়ে বড় প্রত্যক্ষ ঐতিহাসিক প্রমাণ হলো নবীজির নিরক্ষরতা।
তিনি কোনো গ্রন্থ পাঠ করতে পারতেন না এবং কোনো কিছু নিজ হাতে লিখতেন না।কোরআনে আল্লাহ-তাআলা নিজেই ঘোষণা করেন, “এর পূর্বে আপনি কোনো কিতাব পাঠ করেননি এবং নিজ হাতে কোনো কিতাব লিখেনওনি; যদি তা হতো, তবে এই বাতিলপন্থীরা সন্দেহে পতিত হওয়ার সুযোগ পেত।” (সুরা আনকাবুত, আয়াত: ৪৮)মক্কা ছিল একটি উন্মুক্ত গোত্রীয় সমাজ, যেখানে কারও ব্যক্তিগত জীবন গোপন রাখার উপায় ছিল না।
মহানবী (সা.) যদি গোপনে কোনো পণ্ডিতের কাছে পড়াশোনা করতেন কিংবা বিদেশি...
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।