সূর্যঘড়িগুলো ঢেকে আছে সাদা রঙের নুড়িপাথরে। সেখানকার অসমান ও অমসৃণ পাথরের চাঁইগুলোতে একদিন বয়ে যেত বাতাস। সেই পাথরগুলো যেন এখন মুখ গুঁজে পড়ে আছে বালুর বুকে। এই বালুর ওপর দিয়ে একদিন সাগর বয়ে যেত। সেই সাগর আজ শুকনা ও খটখটে। সেখানকার প্রাচীন শহরগুলো এখন চাপা পড়ে আছে বালু আর পাথরের নিচে। মঙ্গল গ্রহ এখন মৃত।চারদিকের নিস্তব্ধতা ভেঙে একটা ক্ষীণ যান্ত্রিক শব্দ এগিয়ে আসে। পুরোনো আমলের একটা স্থলযান।
তার মধ্যে বসে আছে আলবার্ট বেক ও লিওনার্ড ক্রেগ।‘হ্যালো!’আলবার্ট ফিসফিস করে বলে, ‘ঈশ্বরের দোহাই, এভাবে চিৎকার করো না! শহরটার যেটুকু এখনো দাঁড়িয়ে আছে, তোমার চিৎকারে সেটুকুর মাটিতে মিশে যেতে বেশি সময় লাগবে না। তখন আমাদের এত দূর আসাটাই অর্থহীন হয়ে যাবে না, বলো?’আবার খানিকটা নিস্তব্ধতা নেমে এল চারপাশে।
শেষ পর্যন্ত আলবার্টই মুখ খুলল।‘চলো, এবারে ধীরে ধীরে বাড়িগুলোর ভেতরে ঢোকা যাক।’‘তুমি তাহলে সত্যিই ওই প্রাচীন ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ঢুকতে চাইছ?’ বিরক্তিতে লিওনার্ড মুখ কুঁচকে ফেলে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।