পদার্থবিজ্ঞানী আরউইন শ্রোডিঙ্গার
ইলেকট্রন কি সত্যিই গোল? প্রোটন, নিউট্রন বা ইলেকট্রনের মতো অতি খুদে কণাদের নিয়ে কাজ করে কোয়ান্টাম বলবিদ্যা। অদ্ভুত সেই জগতে বিন্দুসম একটি কণা আবার গোল হয় কী করে? সুকুমার রায়ের বিড়াল হুট করে ‘ম্যাও’ বলে ডেকে উঠেছিল। রুমাল কি কখনো ম্যাও করে ডাকতে পারে? বাস্তবে এটা অসম্ভব। কিন্তু ননসেন্স গদ্যে সবই সম্ভব। আচ্ছা, বিজ্ঞানেও কি এমন ননসেন্স ব্যাপার ঘটতে পারে?
তা না হলে শ্রোডিঙ্গারের বিড়াল একই সঙ্গে জীবিত ও মৃত থাকে কী করে!পদার্থবিজ্ঞানী আরউইন শ্রোডিঙ্গার সুকুমার রায় ছিলেন লেখক। কিন্তু আরউইন শ্রোডিঙ্গার তো পুরোদস্তুর পদার্থবিজ্ঞানী! তিনি কেন এমন আজগুবি বিড়ালের কথা বলতে গেলেন? আসলে শ্রোডিঙ্গারের আর কোনো উপায় ছিল না, ইলেকট্রনের অদ্ভুত আচরণই তাঁকে এমন এক অদ্ভুত বিড়ালের জন্ম দিতে বাধ্য করেছিল। বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় বিড়াল হলো এই শ্রোডিঙ্গারের বিড়াল।
অথচ বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্বই নেই!আমাদের মূল প্রশ্ন ছিল, ইলেকট্রন কি একসঙ্গে একাধিক জায়গায় থাকতে পারে?
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।