বিজ্ঞান উৎসবে শিক্ষার্থীদের প্রজেক্ট দেখছেন অতিথিরা। এক দশক ধরে কিশোর–তরুণদের মনে বিজ্ঞানের স্বপ্ন জাগানোর কাজটিই করে যাচ্ছে বিজ্ঞানচিন্তা
কিপ থর্ন ২০১৭ সালে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্তকরণে অবদানের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। তিনি একবার বলেছিলেন, কৈশোরে একটি বই তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল এবং সেই বই–ই মূলত তাঁকে পদার্থবিজ্ঞান ও বিজ্ঞানচর্চার প্রতি উৎসাহী করে তোলে। বইটির নাম ওয়ান, টু, থ্রি... ইনফিনিটি। এই বইয়ের লেখক জর্জ গ্যামো। গ্যামো নিজেও ছিলেন বিখ্যাত পদার্থবিদ।
একটি বই, একটি লেখা কিংবা একটি বক্তব্য যেকোনো সময় একজন কিশোর বা তরুণকে উদ্দীপ্ত করতে পারে। একে অনেক সময় ‘লাইট বাল্ব মোমেন্ট’ বলা হয়। কে কখন কোন লেখা পড়ে অনুপ্রাণিত হবে, তা আগে থেকে বলা কঠিন। তাই একটি সমাজে সব সময় ভালো বই, ম্যাগাজিন, তথ্যচিত্র ও বিজ্ঞানভিত্তিক কনটেন্ট থাকা জরুরি; যেন ভবিষ্যতের বিজ্ঞানী, গবেষক ও উদ্ভাবক তৈরির অনুকূল পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
কার্ল সেগান কিংবা আইজাক আসিমভের মতো জনপ্রিয় লেখকদের লেখা আমেরিকাসহ বিশ্বের বহু মানুষকে নাড়া দিয়েছে, বিস্মিত করেছে, স্বপ্ন দেখিয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।