সারকথাবিশ্বায়ন ও গণমাধ্যমের ধারাবাহিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার এবং তার সাংস্কৃতিক প্রভাব নিয়ে এই প্রবন্ধ। ম্যাকলুহানের বিশ্বগ্রাম, শিলারের সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ, রবার্টসনের গ্লোকালাইজেশন, আপ্পাদুরাইয়ের বৈশ্বিক প্রবাহ ও উপাত্ত উপনিবেশের ধারণার আলোকে লেখক দেখিয়েছেন, এআই শুধু তথ্য ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেয় না; সংস্কৃতিকেই উপাত্ত ও কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে মুনাফার পণ্যে পরিণত করে।
এআইয়ের অবকাঠামো, ভাষা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা অল্প কয়েকটি রাষ্ট্র ও প্রযুক্তি কোম্পানির হাতে কেন্দ্রীভূত। ফলে উন্নয়নশীল সমাজ, স্থানীয় সংস্কৃতি এবং স্বল্প সম্পদসমৃদ্ধ ভাষাগুলো নতুন বৈষম্য ও আধিপত্যের মুখে পড়ছে। ইংরেজিনির্ভর ভাষা মডেল, অদৃশ্য ও স্বল্পমূল্যের শ্রম, অ্যালগরিদমিক পক্ষপাত এবং এআই গ্রহণকে অনিবার্য হিসেবে তুলে ধরার প্রবণতা এই সংকট আরও বাড়াচ্ছে।
তবে স্থানীয় উদ্যোগ, বহুভাষিক উপাত্ত এবং জবাবদিহিমূলক শাসনের মাধ্যমে বিকল্প পথ তৈরি করা সম্ভব।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।