অ্যান কারসনের ছবি অবলম্বনে
প্রাচীন গ্রিক পুরাণের এক দানবকে যিনি আধুনিক মানুষের প্রেম, নিঃসঙ্গতা ও আত্মপরিচয়ের প্রতীকে রূপ দিয়েছেন, সেই অ্যান কারসনের সাহিত্যভুবন স্বতন্ত্র ও বিস্ময়কর। প্রাচীন সাহিত্যের নিবিড় পাঠ, অনুবাদ ও নিরীক্ষাধর্মী সৃজনে তিনি নির্মাণ করেছেন অতীত ও বর্তমানের এক অনন্য সেতু।সকাল নয়টা বাজবে বাজবে করছে। বাইরে আইসল্যান্ডের চিরচেনা অবাধ্য আবহাওয়া। ঘরের জানালায় আছড়ে পড়ছে উত্তর মেরু থেকে ছুটে আসা হিমশীতল বাতাসের একটানা শব্দোচ্ছ্বাস।
থার্মোমিটারের কাঁটায় তাপমাত্রা যতটুকু দেখাচ্ছে, বাত্যাপ্রবাহের কারণে ঠান্ডাটা তার চেয়ে বেশি। ঘরের ভেতরের জগৎটা স্বাভাবিক, দিনানুদৈনিক, নিরুদ্বেগ। রান্নাঘরের গোল টেবিলে বসে অ্যান কারসন চা আর বিস্কুট খাচ্ছিলেন। অলস চোখে তাকিয়ে দেখলেন, মেঝেটা একটু অপরিচ্ছন্ন হয়ে আছে—কিছু ধুলাবালু, বিস্কুটের কিছু গুঁড়া ছিটকে পড়েছে। ভাবলেন, একটু ঝাঁট দিতে হবে।ঠিক তখনই শব্দ করে বেজে উঠল ফোনটা। তিনি ফোনের দিকে তাকালেন, ধরলেন না।
তিনবার বেজে ফোন থেমে গেল।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।