সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির বিষয়ে একটি টক শোতে বক্তব্য দিয়ে বিতর্কে জড়ান কামরুজ্জামান রতন। পরে তিনি এ নিয়ে তিনি ভুল স্বীকার করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ক্ষমাও চান।
সৌদি আরবে বাংলাদেশের দুজন নাগরিকের বিচার হলো, মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো, সেই দণ্ড কার্যকরও হয়ে গেল। অথচ বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ বলছে, আগে কিছুই জানত না; সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে।
এমন ঘটনায় সরকারের প্রথম প্রতিক্রিয়া হওয়ার কথা ছিল উদ্বেগ জানানো, ব্যাখ্যা দাবি করা এবং নিজেদের দায়িত্ব পালনে কোথায় ঘাটতি ছিল, তা খতিয়ে দেখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা।কিন্তু সেটা সঠিকভাবে হয়নি; বরং বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনায় সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীর ‘উপদেশ’, সরকারি দলের একজন সংসদ সদস্যের অবমাননাকর বক্তব্য এবং বিরোধী দলগুলোর ‘নীরব’ ভূমিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, নাগরিকের জীবন ও মর্যাদা আমাদের সরকার ও রাজনৈতিক দলের কাছে আসলে কতটা গুরুত্ব পায়?‘পাপের লাশ’ কথাটির মধ্যেই রয়েছে মানুষকে অপবিত্র ও অগ্রহণযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করার মানসিকতা।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।