ইরানি বিপ্লবের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি, প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ছবি সংবলিত ব্যানারের কাছে বসে আছেন কয়েকজন। তেহরানের দক্ষিণাঞ্চলে, ইরান
ইরানের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের রেকর্ডটি বেশ হতাশাজনক। মাসের পর মাস তীব্র বোমা হামলা চালিয়েও তারা যেমন ইসলামিক প্রজাতন্ত্রকে কাবু করতে পারেনি, তেমনি আলোচনার টেবিলেও তেহরানের ইচ্ছাকে দমাতে ব্যর্থ হয়েছে। তবু সাত মাসের ধারাবাহিক ব্যর্থতার পরও মার্কিন কর্মকর্তারা বিশ্বাস করছেন যে তাঁরা বুঝি পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন।
তাঁরা নতুন নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে ভাবছেন যে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র খুব দ্রুত হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য হবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে ওয়াশিংটন ইরানের অনেক ক্ষতি করেছে। কিন্তু ইসলামিক প্রজাতন্ত্র নিজে মনে করে না যে তাদের পতন ঘটছে। বরং তেহরান বিশ্বাস করে যে তারা শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রকে পরাস্ত করবে। আর এই আত্মবিশ্বাসের কারণগুলোও খুব একটা দুর্বোধ্য নয়।
কারণ, মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার মুখে ইরানি সরকার কেবল টিকেই থাকেনি, বরং তারা তীব্র আক্রমণাত্মক জবাব দিয়েছে।তেহরানের অবস্থান আরও সংহত হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।