রইদ চলচ্চিত্রের একটি দৃশ্য অবলম্বনে প্রথম আলো গ্রাফিকস
মেজবাউর রহমান সুমনের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ছিল ‘হাওয়া’। চলচ্চিত্রটি সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গের মতো দর্শকহৃদয়ে আছড়ে পড়েছিল। এই দর্শক আসলে কারা? উত্তরটা সহজ—যাঁরা মুখিয়ে থাকেন ভালো সিনেমার জন্য। বাংলাদেশে এমন একটি দর্শকশ্রেণি তৈরি হয়েছে, যাঁরা ভিন্নমাত্রার চলচ্চিত্রের আশায় অপেক্ষা করেন। বাংলা চলচ্চিত্রে বাঁকবদলের চমৎকার সম্ভাবনা উঁকি দিলে তাঁরা নিজে থেকেই সাড়া দেন।
মিথ, রহস্য, প্রকৃতি, জীবননির্ভর জটিল মনস্তত্ত্ব সব সময়ই মানুষকে টানে। সেসব দৃশ্য রূপকের আড়ালে প্রকাশ করলে মানুষ গ্রহণ তো করেই, উপরন্তু সিনেমার ইতিহাসে ভিন্নমাত্রা যোগ হয়। তবে ‘হাওয়া’র অভূতপূর্ব সাফল্যের পর নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন যেন দীর্ঘদিনের জন্য আত্মগোপনে চলে যান। অবশেষে সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও নীরবতার প্রহর কাটিয়ে তিনি ফিরে আসেন তাঁর দ্বিতীয় নির্মাণ ‘রইদ’ নিয়ে।
‘রইদ’ আঁকড়ে ধরেছে তপ্ত মাটির ওপর বেঁচে থাকার প্রাগৈতিহাসিক লড়াইকে, আর ‘হাওয়া’র গল্প গড়ে উঠেছিল সমুদ্রের ঝোড়ো হাওয়া আর মানবীয় সংশয় ঘিরে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।