আমাদের ক্লাসের তানভীরের মুখস্থবিদ্যা এত বেশি যে সে যেকোনো প্রশ্নের উত্তর হুবহু মুখস্থ করতে পারে এবং প্রশ্ন দেখামাত্র লেখা শুরু করে দিতে পারে। মাঝে মাঝে পুরো প্রশ্ন না পড়েই।ইকোনম্যাট্রিকসের মিড টার্ম পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে তার সঙ্গে দেখা। প্রিপারেশন কেমন জিজ্ঞেস করতেই সে বলল, ‘একটা ম্যাথ লিখতে যদি চার পৃষ্ঠা খরচ হয়, তাহলে বোঝার উপায় কী! একেবারে ঠাডা মুখস্থ করে আসছি।’বন্ধু কমার্স থেকে ইকোনমিকস পড়তে আসছে।
ম্যাথ খুব একটা বোঝে না, সে যা পায় সব মুখস্থ করে ফেলে। তার নাকি ম্যাথ মাথার ওপর দিয়ে যায়! স্যার প্রথম দুটি প্রশ্ন ঠিকঠাক দিলেও পরেরটার সংখ্যা বদলে দিল। পরীক্ষা শেষ। সে হল থেকে বের হয়ে কনফিডেন্টলি বলল, সে ৩০–এ ৩০ পাবেই। আমি বললাম, ‘লাস্টের ম্যাথে তো সংখ্যা পাল্টাই দিছে!’সে তৎক্ষণাৎ বই এবং প্রশ্ন মিলিয়ে দেখে সংখ্যা আসলে পাল্টাই দিছে।
তার উজ্জ্বল মুখটা হঠাৎ করে নিভে গেল।আমারও একটা ডিভোর্স হয়েছেবিবাহিত পুরুষ চেনার সহজ উপায়রোবট ‘বল্টু’র রাজনৈতিক উত্থান এর পর থেকে সে ভালো করে প্রশ্ন পড়ে নেয়।কিন্তু বিপত্তি বাধল মাইক্রোইকোনমিকস পরীক্ষার যখন রেজাল্ট দিল।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।