নিজের কমলার বাগানে আবু রায়হান ফারুক। ৭ অক্টোবর বিকেলে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মুক্তারাম গ্রামে
বেড়াতে গিয়ে একটি কমলার গাছ দেখেন আবু রায়হান ফারুক। কৌতূহল থেকে নিজেও নার্সারি থেকে একটি চারা এনে বাড়ির আঙিনায় লাগান। পরের বছর সেই গাছে ফল ধরল। পরিবারের সবাই সেই কমলার স্বাদে মুগ্ধ। সেই থেকে শুরু। ওই নার্সারি থেকে শতাধিক চারা কিনে এক বিঘা জমিতে লাগালেন। প্রথম বাণিজ্যিক ফলনেই বিক্রি হলো প্রায় ৫০ হাজার টাকার কমলা। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
কুড়িগ্রামের বেলগাছায় মুক্তারাগ গ্রামে এখন সাড়ে সাত একর জমিতে গড়ে উঠেছে ফারুকের সমন্বিত কৃষি খামার—‘কাজী এগ্রো ফুড রিসোর্ট অ্যান্ড ইকোপার্ক’। খামারে আছে কমলা, মাল্টা, আম, আঙুর, ড্রাগন, আপেল, সুপারিসহ দেশি-বিদেশি নানা জাতের ফলের গাছ। ফারুক প্রায় দুই বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন নার্সারিও। খামারের ভালো ফলনশীল গাছ থেকে ডাল কলম (গ্রাফটিং) করে তৈরি হচ্ছে চারা। দেশের বিভিন্ন জেলার পাশাপাশি এসব চারা যাচ্ছে ভারতেও।
ফারুক গত বছর ৩২ লাখ টাকার ফল ও চারা বিক্রি করেছেন বলে জানালেন।একটি কমলাগাছ থেকে শুরু কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের কাজী মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে আবু রায়হান ফারুক কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজে উদ্ভিদবিদ্যা বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।