জুমার দিন মুসলমানদের জন্য বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ একটি দিন। এ দিনের রয়েছে বিশেষ কিছু ফজিলত ও আমল। একই সঙ্গে কিছু কাজ থেকে বিরত থাকারও নির্দেশনা রয়েছে।জুমার দিনের পবিত্রতা অক্ষুণ্ন রাখতে যেসব কাজ পরিহার করা উচিত, তার কয়েকটি আলোচনা করা হলো।১. জুমার আজানের পরে বেচাকেনাজুমার আজান দেওয়ার পর দুনিয়াবি ব্যস্ততা ছেড়ে নামাজের জন্য মসজিদে যাওয়ার নির্দেশ রয়েছে। আল্লাহ-তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ!
জুমার দিনে যখন নামাজের জন্য আহ্বান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও এবং বেচাকেনা ছেড়ে দাও।’ (সুরা জুমুআ, আয়াত: ৯)তাই জুমার আজানের পর নামাজে যাওয়ার পরিবর্তে ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা কেনাবেচায় ব্যস্ত থাকা অনুচিত।২. খুতবার সময় কথা বলা: জুমার খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং এ সময় নীরব থাকা জরুরি।
খুতবা চলাকালে কথা বলা তো নিষেধই, এমনকি কাউকে নীরব থাকতে বলাও অনর্থক কথা হিসেবে গণ্য হয়েছে।রাসুল (সা.) বলেন, ‘তুমি যদি জুমার দিন ইমাম খুতবা দেওয়ার সময় তোমার সঙ্গীকে বলো, “চুপ করো”, তবে তুমি অনর্থক কথা বললে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৯৩৪)শুধু কথাবার্তাই নয়, মোবাইল দেখা, জায়নামাজ বা পোশাক নিয়ে অযথা নড়াচড়া করাসহ যে কোনো অনর্থক কাজ থেকেও বিরত থাকা উচিত।হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি কঙ্কর স্পর্শ করল, সে অনর্থক কাজ করল।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৮৫৭)তাই খুতবার সময় পূর্ণ মনোযোগ ইমামের বক্তব্যের দিকে রাখা জুমার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আদব।...
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।