৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া মা ইলিশ রক্ষার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলবে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রশ্ন হলো, প্রশাসন যখন থাকে না, তখন নদী পাহারা দেবে কে?
রাত তখন গভীর। মেঘনার কোনো দুর্গম চরের পাশে প্রশাসনের স্পিডবোট টহল দিয়ে ফিরে গেছে। ইঞ্জিনের শব্দ মিলিয়ে যেতেই অন্ধকারে নামতে শুরু করে ডিঙি নৌকা, পানিতে ফেলা হয় কারেন্ট জাল। ভোর হওয়ার আগেই মা ইলিশ উঠে যায় নৌকায়, পৌঁছে যায় গোপন আড়তে।এই দৃশ্য নতুন নয়। ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া মা ইলিশ রক্ষার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলবে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রশ্ন হলো, প্রশাসন যখন থাকে না, তখন নদী পাহারা দেবে কে?
উত্তর স্পষ্ট: নদীর পাড়ের মানুষ, অর্থাৎ জেলে ও সচেতন জনতা নিজেরাই।এই প্রশ্ন এখন আর তাত্ত্বিক নয়। মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে রেকর্ড ৫ লাখ ৭১ হাজার টন ইলিশ আহরিত হয়েছিল। মাত্র দুই বছরের ব্যবধানে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা নেমে এসেছে ৫ লাখ টনে। এক দশকের বেশি সময় ধরে গড়ে ওঠা সাফল্য এখন উল্টো পথে হাঁটছে।
এর অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে নির্বিচারে জাটকা ও মা ইলিশ নিধন।ইলিশ কমছে কেন, সে প্রশ্নের উত্তর আগে দরকারইলিশ কমে জেলের জালে, জেলে ডোবে দেনার জালেসরকারি নজরদারির সীমাবদ্ধতা বুঝতে কয়েকটি সংখ্যাই যথেষ্ট।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।