আজ ৬ আশ্বিন। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রচণ্ড গরমে নাভিশ্বাস অবস্থা মানুষের। শেরেবাংলা নগর এলাকা, ২১ সেপ্টেম্বর।
ভাদ্র শেষের দুপুর। গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার দক্ষিণ গোবিন্দী গ্রামের একদল নারীর সঙ্গে কথা হচ্ছিল। আলোচনার বিষয়, তাঁদের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন; কিন্তু কথায় কথায় উঠে এল গরমের প্রসঙ্গ। সামিনা বেগম, বিলকিস খাতুন ও শেফালী বেগমদের কথা—এমন গরম তাঁরা আগে দেখেননি।বিলকিস খাতুনের স্বামী আগের দিন খেতে কাজ করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেদিন কাজে যেতে পারেননি। সামিনা বেগম বললেন, ‘হামারাই দুটা বকরি। ১২ হাজার টাকা দিয়্যা কিনছিনু।
চ্যার–পাঁচ দিন আগে মর্যা গ্যাছে। পাতাল পায়খানা হচ্ছিল।’আরেক নারী শেফালি বেগমের ভাষায়, ‘হামার কি মনে হয় জানেন? এডা দুই ঋতুর দেশ হয়্যা গ্যাছে। যখন শীত হচ্ছে যে এত শীত, কাজ করার মতো উপায় নাই। আবার যখন গরম হচ্ছে, তখন পাথারোত (মাঠে) গেলে স্ট্রোক কর্যা মরার মতো হচ্ছে।’গরমে মানুষ অসুস্থ হয়। প্রাণিসম্পদও তাপের চাপে পড়ে।
তবে গ্রামের কৃষকেরা যে শুধু গরমের কারণেই অসুস্থ হচ্ছেন কিংবা ছাগল, হাঁস–মুরগি অসুস্থ হচ্ছে বা মারা যাচ্ছে, তা নিশ্চিত করার কোনো চিকিৎসা বা পরীক্ষার তথ্য গ্রামবাসীর হাতে নেই।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।