বিশুদ্ধ খাওয়ার পানির তীব্র সংকট। উপায় না পেয়ে নারীরা তাই খাওয়ার জন্য পানি সংগ্রহ করছেন মিঠাপানির পুকুর থেকে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে খুলনার কয়রা উপজেলার নয়ানী গ্রামে
সুন্দরবন-সংলগ্ন খুলনার কয়রা উপজেলার গোবরা গ্রামে কামরুল ইসলামের বাড়ির ছাদ থেকে একটি পাইপ নেমেছে পানির ট্যাংকে। বর্ষায় ছাদে পড়া পানি ওই পাইপ দিয়ে ট্যাংকে জমা হয়। সেই পানি রান্না, খাওয়া ও পরিবারের অন্যান্য কাজে ব্যবহার করেন তাঁরা। ‘এখানে মিঠাপানির খুব কষ্ট। বর্ষার সময় বৃষ্টি হলে যতটা সম্ভব পানি ধরে রাখি। একবার ট্যাংক ভরে গেলে সেই পানি কয়েক মাস চলে।
অনেক সময় পাঁচ-ছয় মাস পরও ট্যাংকের পানি শেষ হয় না’, বলেন কামরুল ইসলাম।উপকূলের লবণাক্ত এলাকার বহু পরিবারের কাছে বৃষ্টির পানি এভাবেই কয়েক মাসের ভরসা। কিন্তু পানি দেখতে পরিষ্কার হলেও তা কি নিরাপদ? বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও ইউনিসেফের সাম্প্রতিক জরিপ এবং দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল নিয়ে প্রকাশিত কয়েকটি গবেষণা বলছে, সংকটটি শুধু লবণাক্ততার নয়; নলকূপ ও অন্য উৎসের পানিতে আর্সেনিক ও মলজাতীয় জীবাণু রয়েছে।
আবার লবণাক্ত পানির বিকল্প হিসেবে সংরক্ষণ করা বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও রক্ষণাবেক্ষণে ত্রুটি থাকলে জীবাণু ও সিসায় দূষিত হতে পারে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।