ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভের সময় এক আন্দোলনকারীকে আটক করে নিয়ে যাচ্ছেন নিরাপত্তাকর্মীরা। নয়াদিল্লি, ভারত
পশ্চিমবঙ্গের একটি ছোট গ্রামে জন্ম নেওয়া সাহিদা ফকির এত দিন ভোট দেওয়ার অধিকারকে স্বাভাবিক বিষয় হিসেবেই ধরে নিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ সেই অধিকার তাঁর কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি কর্মকর্তাদের কাছে নিজের ভারতীয় জন্মনিবন্ধন সনদ ও ১৯৬২ সাল থেকে গ্রামে থাকা পারিবারিক জমিজমার নথিপত্র উপস্থাপন করেছেন।সাহিদার মা–বাবার নামও কয়েক দশক ধরে ভোটার তালিকায় ছিল। সেই প্রমাণও তিনি দেখিয়েছিলেন।
কিন্তু এরপরও গত এপ্রিলে চূড়ান্ত সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হলে দেখা যায়, সেখানে সাহিদার নাম নেই।দরিদ্র মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া ৩৮ বছর বয়সী এই ‘পরিযায়ী’ শ্রমিক একাই তালিকা থেকে বাদ পড়েননি। গত বছর থেকে ‘এসআইআর’ বা ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন নামে পরিচিত একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারতে ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।
এটি জাপানের জনসংখ্যার (১২ কোটি ৩০ লাখ থেকে ১২ কোটি ৫০ লাখ) চেয়েও বেশি।দরিদ্র মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া ‘পরিযায়ী’ শ্রমিক সাহিদা ফকির একা নন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।