বর্তমান সময়ে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতি, সীমিত আয় এবং সংসারের বাড়তি ব্যয়ের কারণে তরুণ-তরুণীদের মাঝে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। ইসলাম অর্থনৈতিক দায়িত্ব ও সচেতনতাকে গুরুত্ব দেয়, তবে অতিরিক্ত আর্থিক নিরাপত্তাহীনতার ভীতিতে বিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য ঝুলিয়ে রাখার অনুমোদন দেয় না। পবিত্র কোরআনের সুরা নুরে নিঃস্বদের বিয়ের মাধ্যমে আল্লাহর অনুগ্রহে স্বাবলম্বী হওয়ার কথা বলা হয়েছে, যার উদ্দেশ্য অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার অজুহাতে নিরাশ না হওয়া।
বিয়েতে অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক, বিপুল মোহরানা এবং লোকদেখানো ব্যয়ের কারণে দিন দিন যুবসমাজের বিয়ের বয়স বাড়ছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) সামর্থ্যবান তরুণদের বিয়ের নির্দেশ দিয়েছেন এবং সামর্থ্য না থাকলে সংযমের জন্য রোজা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। ইসলামে রিজিক কেবল অর্থ বা সম্পদে সীমাবদ্ধ নয়; সৎ জীবনসঙ্গী, মানসিক প্রশান্তি, সুস্থতা এবং উপার্জনের বরকতও এর অংশ।
বাস্তবসম্মত পরিকল্পনার পাশাপাশি আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা ভরসার ভারসাম্য বজায় রাখা মুমিনের জন্য আবশ্যক। বিয়ের ক্ষেত্রে অযাচিত ঋণ বর্জন, হালাল উপার্জন এবং সংযমী আয়োজন নিশ্চিত করতে অভিভাবকদেরও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে নতুন প্রজন্ম ঋণমুক্ত ও প্রশান্তিময় দাম্পত্য জীবন শুরু করতে পারে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।