বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ১০ অক্টোবর ২০২৬, নয়াদিল্লি
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে নয়াদিল্লিসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিতর্কিত ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ বা এসআইআর কর্মসূচির মাধ্যমে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটির বেশি নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে বিশেষ করে মুসলমান, নারী, অভিবাসী ও দরিদ্র প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বেঙ্গালুরুতেও ৮ অক্টোবর ইনফ্লুয়েন্সার ধ্রুব রাঠী ও অভিনেতা প্রকাশ রাজসহ অনেকে পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে অংশ নেন।
ভোটার তালিকা যাচাইয়ে আধার কার্ড বাদ দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন প্রযুক্তি ও পুরোনো নথিপত্র চাওয়ায় সাধারণ মানুষ সংকটে পড়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে ‘যৌক্তিক অসংগতি’ দেখিয়ে বাদ পড়া ২৭ লাখ মানুষের প্রায় ৬৫ শতাংশ এবং হায়দরাবাদে চিহ্নিত নামের ৪০ দশমিক ৭ শতাংশই মুসলমান। এছাড়া বিয়ের কারণে নথি পরিবর্তন হওয়া নারীরাও ভোটাধিকার হারাচ্ছেন। বাদ পড়া নামের বিপরীতে লক্ষাধিক আবেদনের জন্য পর্যাপ্ত ট্রাইব্যুনাল না থাকায় প্রতিকার পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিরোধীদের ভোটভিত্তি সংকুচিত করে এই পদক্ষেপ ক্ষমতাসীন বিজেপিকে বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে এবং বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী ব্যবধান বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। সমালোচকদের মতে, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ও জাতীয় নাগরিক পঞ্জির মতো এই এসআইআর কর্মসূচিও সংখ্যালঘু ও নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে নাগরিকত্বহীন করার ঝুঁকি তৈরি করে ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিচ্ছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।