মক্কায় তখন জাহেলিয়াত। কাবাঘর ঘিরে প্রতিদিন নানা গোত্রের মানুষের আনাগোনা; আর জীবিকার তাগিদে কোরাইশের বাণিজ্য কাফেলা ছুটে যেত সুদূর সিরিয়ার পথে।মক্কা থেকে সিরিয়াগামী সেই প্রাচীন বাণিজ্যপথেই ছিল রুক্ষ মরুভূমির দুর্ধর্ষ ‘বনু গিফার’ গোত্রের বসতি। আরবে এই গোত্রটির পরিচয় ছিল ভয়ংকর পথদস্যু হিসেবে।
কিন্তু সেই গোত্রেই জন্ম নিয়েছিলেন এমন এক ব্যতিক্রমী মানুষ, যাঁর নাম জুনদুব ইবনে জুনাদাহ।ইতিহাসের পাতায় বিশ্ব যাঁকে চেনে মহান সাহাবি হজরত আবু জর গিফারি (রা.) নামে।সংবাদটি আবু জরের অন্তরে আলোড়ন তুলল। এত দিন ধরে যে সত্যের সন্ধান তিনি অন্তরে খুঁজে ফিরছিলেন, এ কি তবে তারই হাতছানি?একেশ্বরবাদের তৃষ্ণা জাহেলি আরবের অনেক দেব–দেবীর পূজা ও গোত্রীয় অন্ধত্ব আবু জরের বিবেক মেনে নিতে পারেনি।
তিনি স্বভাবজাতভাবেই এক অদৃশ্য আল্লাহর ইবাদতের দিকে ঝুঁকে পড়েছিলেন।এমনই এক সন্ধিক্ষণে তাঁর কানে এক চমকপ্রদ খবর পৌঁছাল, ‘মক্কায় এক ব্যক্তির আবির্ভাব হয়েছে, যিনি নিজেকে আল্লাহর রাসুল বলে ঘোষণা করেছেন এবং মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদতের দিকে ডাকছেন।’সংবাদটি আবু জরের অন্তরে আলোড়ন তুলল।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।