অলংকরণ: মাসুক হেলাল
বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরির চেয়ে বাংলা একাডেমির লাইব্রেরিতে পড়তে বেশি ভালো লাগত জুহিতার। আমছাত্ররা সেখানে পড়ার সুযোগ পেত না। জুহিতা এমফিল শুরু করেছিল বলে তার সুপারভাইজার শিক্ষকের রেফারেন্সে সপ্তাহে দুই দিন যেতে পারত সেখানে। তা ছাড়া তার প্রাণের বন্ধু ছুটির মামা একাডেমির উপপরিচালক ছিলেন। ও পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। ছুটি চুটিয়ে প্রেম করে রেজাল্টের আগেই পালিয়ে বিয়ে করেছিল। জুহিতার তেমন প্রেমট্রেম হয়নি।
প্রেমের প্রস্তাব পেয়েছিল বেশ কিছু। দু–একজনকে ভালোও লেগেছিল। নিজের ক্লাসের ছেলেদের ওর ভালো লাগত না; সব কেমন যেন ভ্যাবলাকান্ত। ফাইনাল ইয়ারের শিশির ভাইকে দারুণ লাগত। ও একদিন একটা নোট দেখানোর নাম করে শিশির ভাইয়ের সঙ্গে লাইব্রেরির পেছনের বারান্দায় একটু ঘনিষ্ঠ হয়ে বসতে গিয়েছিল।
পাশে বসতেই শিশির আকাশের দিকে তাকিয়ে জীবনানন্দ আওড়ায়: ‘চোখে তার যেন শত শতাব্দীর নীল অন্ধকার স্তন তার করুণ শঙ্খের মতো—দুধে আর্দ্র কবেকার শঙ্খিনীমালার’জুহিতা আঁচল টেনে নিয়ে একটু সংকোচে দূরে বসে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।