শুরু হলো হেমন্তকাল। প্রকৃতিতে সেই বারতা। সকালের হালকা শীত আর কুয়াশায় ফাঁকা সড়কে হাঁটতে বেরিয়েছে নানা বয়সের মানুষ। শেখটারী, রংপুর, ১৬ অক্টোবর
সবুজ পাতার খামের ভেতর/ হলুদ গাঁদা চিঠি লিখে/ কোন্ পাথারের ওপার থেকে/ আনল ডেকে হেমন্তকে?’ সবুজ পাতার খামে হলুদ গাঁদা যেন চিঠি লিখে জানিয়ে দেয় হেমন্তের আগমনী বার্তা। দূর কোন পাথারের ওপার থেকে কে ডেকে আনে এই ঋতুকে, কবি সুফিয়া কামালের ‘হেমন্ত’ কবিতার পঙ্ক্তিতে সেই প্রশ্নই ধ্বনিত হয়েছে।শরতের পায়ে–পায়ে এসেছে হেমন্ত। কার্তিক ও অগ্রহায়ণ, এই দুই মাস মিলে বাংলার চিরায়ত ছয় ঋতুর চতুর্থ ঋতু। আজ শনিবার কার্তিকের প্রথম দিন।
শরতের শুভ্র মেঘ এখনো পুরোপুরি বিদায় নেয়নি, এরই মধ্যে প্রকৃতিতে লেগেছে বদলের ছাপ। রাত গভীর হলে ধানের পাতা ও ঘাসের ডগায় জমে শিশির। ভোরের বাতাসে শীতের আভাস, দিন ফুরোলে কুয়াশার নরম পর্দায় আড়াল হয় সূর্য। ধীরে ধীরে ছোট হয়ে আসে দিন।হেমন্তের আগমন সবচেয়ে স্পষ্ট উত্তরের জনপদে। পঞ্চগড় থেকে প্রথম আলোর সাংবাদিক রাজিউর রহমান জানালেন, সন্ধ্যা হলেই বইছে শীতল বাতাস।
শেষ রাতে বেশির ভাগ মানুষকে ঘুমাতে হচ্ছে হালকা কাঁথা জড়িয়ে।শিউলি মূলত শরতের ফুল হলেও হেমন্তে সবচেয়ে বেশি ফোটে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।