২০২২ সালে তাহিরপুরের টাঙ্গুয়ার হাওরে বসে দূর পাহাড় আর মেঘ দেখার পর ২০২৩ সালে মেঘালয়ে প্রথম পা পড়েছিল ভ্রমণকারীদের। সেই ধারাবাহিকতায় আবারও ডাউকি সীমান্ত হয়ে শিলংয়ের উদ্দেশে শুরু হয় এক নতুন যাত্রা। দীর্ঘদিনের পরিচিত চালক ও গাইড সানি গুরুংকে সঙ্গে নিয়ে উমগট নদীর ঝুলন্ত সেতু পেরিয়ে পাহাড়ি পথ ধরে মেঘের ভেতর দিয়ে চলতে থাকে তাঁদের গাড়ি। মাউলিনং কিংবা এলিফ্যান্টস ফলস আগেই দেখা থাকায় এবারের লক্ষ্য ছিল মেঘে ঢাকা পথ আর প্রকৃতির নির্জনতাকে নতুন করে উপভোগ করা।
চেরাপুঞ্জিতে গিয়ে ঘন কুয়াশার কারণে নোহকালিকাই জলপ্রপাত স্পষ্ট না দেখা গেলেও এর গর্জন এবং গিরিখাতের কিনারে বসে পাওয়া বৃষ্টিভেজা মাটির সোঁদা গন্ধ তাঁদের গভীরভাবে আবেগাপ্লুত করে। এ ছাড়া সফরে দেখা মেলে সন্ত জন বসকোর আদর্শে অনুপ্রাণিত ডন বসকো মিউজিয়ামের। ১৭টি থিমভিত্তিক গ্যালারিসম্পন্ন এই জাদুঘরে খাসি, গারো, জয়ন্তিয়া, নাগা ও মিজোসহ উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, পোশাক ও বাদ্যযন্ত্র তুলে ধরা হয়েছে। যাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ষাটের দশকে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য নির্মিত পূর্ব খাসি পাহাড় ঘেরা বিখ্যাত কৃত্রিম উমিয়াম লেক বা ‘বড়াপানি’।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।