সৌদি আরবে বাংলাদেশের দূতাবাস ভবন
সৌদি আরবের মক্কার একটি মসজিদে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাআজিরের আওতায় সম্প্রতি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। বাংলাদেশ কনস্যুলেটের তথ্যমতে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পূর্বে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি। ১৯৬৩ সালের ভিয়েনা কনভেনশন অনুযায়ী আটক বিদেশি নাগরিকের কনস্যুলার সহায়তার সুযোগ পাওয়ার কথা থাকলেও, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আইনি প্রতিনিধিত্ব বা আপিলের পর্যাপ্ত সুযোগ পেয়েছিলেন কি না, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
সৌদি আরবে প্রায় ৩০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত থাকলেও তাঁদের আইনি ও মানবিক সুরক্ষার বিষয়টি বরাবরই উপেক্ষিত। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের হিসাবে ২০২৫ সালে দেশটিতে অন্তত ৩৫৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। পাশাপাশি নারী গৃহকর্মীদের ওপর নির্যাতন ও মৃত্যুর হারও আশঙ্কাজনক; ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, আট বছরে ফেরত আসা ৭৯৯ নারী শ্রমিকের মরদেহের বড় অংশই এসেছে সৌদি আরব থেকে। অথচ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ মিশনগুলোর মাধ্যমে মাত্র ৩৯৫ জন শ্রমিক আইনি সহায়তা পেয়েছেন, যার মধ্যে নারী ছিলেন মাত্র ১১ জন।
প্রবাসী শ্রমিকদের কেবল রেমিট্যান্স পাঠানোর মাধ্যম হিসেবে না দেখে তাঁদের নাগরিক অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্রের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। বিদেশে কোনো বাংলাদেশি ফৌজদারি মামলায় জড়ালে দ্রুত আইনজীবী নিয়োগ, কনস্যুলার যোগাযোগ এবং দূতাবাসের পক্ষ থেকে মামলার স্বচ্ছ তদারকি নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।